রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
ইসরায়েলি জিম্মিদের দ্বিতীয় দলকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। মুক্তি প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা দেরি হওয়ায় বন্দিদের পরিবার হতাশা প্রকাশ করে বলে খবর বিবিসির।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, গাজা থেকে ১৩ ইসরায়েলিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ছিলেন চার থাই নাগরিক। এর বিনিময়ে পশ্চিম তীরে ৩৯ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে তেল আবিব।
কাতারের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী চার দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে বন্দি বিনিময়ে অংশ নিচ্ছে হামাস ও ইসরায়েল। এর আগে শুক্রবার প্রথম দফায় বিনিময় সম্পন্ন হয়।
এদিকে হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডস বলেছে, উত্তর গাজায় সাহায্য বিতরণ ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের নির্বাচন নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ইসরায়েল চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে।
হামাসের মুখপাত্র ওসামা হামদান বলেছেন, শুক্রবার থেকে মোট ৩৪০টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় গেছে, কিন্তু মাত্র ৬৫টি উত্তর গাজায় পৌঁছেছে। ইসরায়েল যে পরিমাণ সাহায্য প্রবেশ করতে দিতে সম্মত হয়েছিল তার অর্ধেকেরও কম এসেছে।
চুক্তির অধীনে ৫০ জন ইসরায়েলি ও ১৫০ ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পাবে। গত শুক্রবার ইসরায়েল ২৪ জন নারী ও ১৫ জন কিশোর-কিশোরীকে মুক্তি দেয়। যারা বিনাবিচারে অনেকদিন ধরে ইসরায়েলের কারাগারে আটক ছিল। একইদিন ১১ জন বিদেশীসহ ২৪ জনকে ছেড়ে দেয় হামাস।
প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ জন ইসরায়েলি মুক্তি পেলে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তেল আবিব।
গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলের অভিযানে এক হাজার ২০০ জনকে হত্যা করে হামাস। অপহরণ করে নিয়ে যায় ২৪০ জনকে। ইসরায়েলের দাবি নিহত ও অপহৃতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। এরপর গাজায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যাদের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। কিন্তু ইসরায়েল হাসপাতালগুলো ধ্বংস করে দেয়ায় গাজায় মিলছে না প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা।